কখন পড়বেন এই দোয়া” আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ”

3
1602
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ একটি বিশেষ দুরুদ। এটি জুম্মার দিনে বিশেষ ভাবে আমল করা হয়। সেই সাথে আরো কিছুু আমল এই দুরুদের রয়েছে। বাংলা ভোর অনলাইন পত্রিকার আজকের পর্বে আমরা আপনাদের এই বিশেষ আমল সমন্ধে জানিয়ে দিব।

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

বিশ্ব নবী হযরত মুহাম্মাদ স. এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শন করার জন্যই আমরা তাহার নামেরর শেষ একটি ছোট শব্দ ব্যাবহার করি। সেই ছোট শব্দটি হলো সল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সল্লাম। অনেকেই জানে আবার অনেকেই জানে না যে, এই ছোট শব্দটিও একটা দুরুদ।

দুরুদ বলতে আমরা যে সকল দুয়া কে চিনি সেগুলো সব ই হলো আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ স. এর ভালোবাসা এবং সম্মানের প্রতিক।

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ
আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

ঠিক তার জন্য অনেকগুলো দুরুদ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি দুরুদ হলো আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ

একটি হাদিসে রয়েছে, আমরা প্রতি ১ বার দুরুদ পাঠ করলে আল্লাহ আমাদের জন্য ১০ বার রহমত পাঠান। এখানে ১০ বারে অশংক্ষ্য বা ১০ টা হতে পারে। তাই এই ছোট ছোট দুরুদ আমাদের মুখস্ত করে নেওয়া উচিৎ। তার সাথে প্রতিদিন কম বেশি এটি পড়া উচিৎ। দুরুদ পড়ার বিশেষ কিছু সুবিধা রয়েছে এবং এর অনেক সোয়াব হয়।

তাছাড়াও আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ এই দুরুদের বিশেষ একটি আমলের কথা বলা হয়েছে। এটি জুমার দিনে আমল হিসেবে গন্য।

জুমার দিনের আমল

আল্লাহ তায়ালা কুরআন মাজিদে বিশেষ ভাবে মুমিনদের দুরুদ পড়ার প্রতি উপদেশ করেছেন। এর সাথে নবী কারীম স. ও তাহার প্রতি দুরুদ পড়তে বলেছেন।

বিশেষ করে জুমার নামাজের বা জুমার দিনের আগের রাত থেকে শুরু করে জুমার নামাজের সারা দিন বরকতময় দিন হিসেবে বর্নননা করেছেন। ওই সময়ে বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করতে বলেছেন।

সেই সাথে আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ দুরুদটি প্রতি জুমার নামাজের পরে ৮০ বার পড়ার কথা বলেছেন।

হযরত আবু-হুরায়রা রা. বলেছেন, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্নিত, ‘আমার ওপর দরুদ পাঠ করলে তা পুলসিরাত পার হওয়ার সময় আলো হবে। যে ব্যক্তি জুমআর দিন ৮০ বার (আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ)দরুদ পাঠ করবে তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।’ আল হাদিস।

তাই আমাদের করনীয় এই দুরুদের বেশি বেশি আমল করা। এবং জুমার দিনে ৮০ বার এই দুরুদ পাঠ করা। এক্ষেত্রে জুমুর নামাজের পরে আসরের নামাজের পরে এটি পাঠ করতে পারেন।

আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ দুরুদ

এই দুরুদটি সহজে মুখস্ত করার জন্য ছোট ছোট শব্দ আকারে ভেঙে ভেঙে বার বার পড়তে পারেন। কয়েকবার পড়লেই এই ছোট দুরুদ টা মুখস্ত করে রাখা সম্ভব।

আল্লাহুম্মা – শব্দটি কয়েকবার পড়ুন

সাল্লি – শব্দটি কয়েকবার পড়ুন

ওয়া – বার বার পড়ুন

সাল্লিম – বার বার পড়ুন এবং শুরু থেকে এই পর্যন্ত মুখস্ত করার চেষ্টা করুন।

আলা – কয়েক বার পড়ুন

নাবিয়্যিনা – কয়েকবার পড়ুুন

মুহাম্মাদ– শুরু থেকে আবার বার বার রিপিট করে মুখস্ত করে নিন।

আরবিতে আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ দুরুদ এবং তার সাথে বাংলা অর্থ

اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ

অর্থ: আয় আল্লাহ, আমাদের নবী (হযরত) মুহাম্মাদ (সা.) এর উপর আপনি (আপনার অশীম) শান্তি ও আশীর্বাদ নাযিল করুন।”

শেষ কথাঃ বাংলাদেশের বেশির ভাগ অনলাইন মিডিয়াগুলোই নাস্তিকদের হাতে, তাই বাংলাভোর অনলাইন পত্রিকাকে বড় হতে সাহায্য করুন। আমাদের বড় করতে আমাদের পোস্ট শেয়ার করুন, সাথে সাথে আমাদের গুগল নিউসে ফলো করে রাখুন। এবং আমাদের হোয়াটসঅ্যাপেও ফলো করে রাখুন। আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ।

3 COMMENTS