ঢাকার কাছে বড় ধাক্কা খেল রাজশাহী: ৭ বল বাকি থাকতে জয় ক্যাপিটালসের

0
189
ঢাকা বনাম রাজশাহী ম্যাচ রিপোর্ট
ঢাকা বনাম রাজশাহী ম্যাচ রিপোর্ট

সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয়ের পর রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে নিয়ে বাড়তি প্রত্যাশা ছিলই। কিন্তু সেই উড়ন্ত সূচনা দ্বিতীয় ম্যাচে টিকল না। ঢাকা ক্যাপিটালস হোঁচট খেলাল রাজশাহীকে, আর তাতেই দলটি আবার মাটিতে নেমে এলো।

মাত্র ১৩২ রানে থেমে যাওয়া রাজশাহী শেষ পর্যন্ত লড়াই করলেও ৭ বল বাকি থাকতে ঢাকার কাছে ৫ উইকেটে হেরে মাঠ ছাড়ে।

সহকারী কোচকে উৎসর্গ ঢাকার জয়

ঢাকার এই জয়ে আবেগের ছোঁয়াও আছে। দলের সহকারী কোচ মাহবুব আলী জাকি অনুশীলনের সময় হার্ট অ্যাটাক করে মারা যান। ম্যাচটি তার স্মরণেই উৎসর্গ করেছে ঢাকা ক্যাপিটালস।

রাজশাহীর লড়াই, ঢাকার ক্যামিওতে ম্যাচ শেষ

ছোট সংগ্রহ নিয়েও ১৬ ওভার পর্যন্ত ম্যাচে ছিল রাজশাহী। কিন্তু সাব্বির রহমান ও শামিম হোসেনের দ্রুত রান ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

  • সাব্বির: ১০ বলে ২১ (২ ছয়, ১ চার)
  • শামিম: ১৩ বলে ১৭

১৭তম ওভারে সাব্বির–শামিম মিলে ১৫ রান তুললে ঢাকার জয় তখন প্রায় নিশ্চিত। পরের ওভারেও আসে ১২ রান। শেষ মুহূর্তে সাব্বিরের ছক্কায় নির্ধারিত জয়ের কাজটা সেরে ফেলে ঢাকা।

মজবুত ভিত গড়েন আল মামুন

ঢাকার জয়ের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন আবদুল্লাহ আল মামুন। ধীরগতির উইকেটে তিনি ৩৯ বলে ৪৫ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন (৪ চার, ১ ছয়)।


রাজশাহীর ব্যাটিং বিপর্যয়

ওপেনিংয়ের প্রথম বলেই সাহিবজাদা ফারহান স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হয়ে ফেরেন। তানজিদ হাসান তামিম ও শান্ত পরিস্থিতি সামাল দিলেও কেউই বড় ইনিংস খেলতে পারেননি।

  • শান্ত: ২৮ বলে ৩৭ (২ চার, ২ ছয়)
  • তানজিদ: ১৫ বলে ২০
  • ইয়াসির আলী: ১৫ বলে ১৩

মুশফিকুর রহিম (২৩ বলে ২৪) ও নাওয়াজ (২৬ বলে ২৬*) রান তুললেও রানরেট বাড়াতে ব্যর্থ হন। ফলে বড় সংগ্রহ দাঁড় করানো সম্ভব হয়নি।

ঢাকার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ইমাদ ওয়াসিম—

  • ইমাদ: ৪ ওভারে ১৬ রান, ৩ উইকেট
  • নাসির হোসেন: ৪ ওভারে ৩২ রান, ২ উইকেট
  • সাইফউদ্দিন–জিয়া–সালমান: প্রত্যেকে ১ উইকেট