VPN ব্যাবহারের ক্ষতি আছে কখন?

0
651
ভিপিএন কি নিরাপদ
ভিপিএন কি নিরাপদ

৯৯ ভাগ মানুষ ই কোন না কোন কাজের জন্য VPN ব্যবহার করে থাকে। যদিও আমাদের দেশের বর্তমান মিডিয়াগুলো এর বিরুদ্ধে কথা বলে। আপনি খেয়াল করলে দেখবেন, যারা VPN ব্যবহার করতে নিশেষ করে, তারা নিজেরেও ফেসবুকে প্রবেশ করতে VPN ব্যবহার করতেছে। ভিপিএন কি নিরাপদ এই পোস্টে সাগতম আপনাকে।

আমরা কি এক আজব দেশে বসত করি, এখানে ফেসবুকে থেকে ই ফেসবুক কে হুশিয়ারি বার্তা দেয়া হয়। অধীকার চাইলেও রাজাকার হতে হয়। আবার কেউ খুন করেও পুলিশের সাথে ঘুড়ে বেড়ায়। ইন্টার নেট ও ফুরিয়ে যায়। ছাত্রলীগ নামক জঙ্গীবাদীরা হতাহত শুরু করলেও সেটা BNP জামায়াত, শিবির সহ অন্যান্যদের উপর চেপে যায় অপরাধ গুলো।

হাজার হাজার ইঞ্জিনিয়ার, ডক্টর , মেধাবীরা ৮ পাশ পুলিশের গুলিতে মরে। অশিক্ষিত বেকার ছাত্রলীগ নামক সংগঠন ই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চেতিত প্রমানিত হয়। রাস্তা, ভবন, ব্রিজের জন্য চোখে পানি আসলেও হাজারটা জীবন না ফেরার পথে গেলেও সেখানে হাসি পায়।

আমরা আজ আপনাদের বিবেকের কাছে ই প্রশ্ন রাখতে চলেছি। আশা করি পোস্টের শেষ পর্যন্ত পড়ার পরে উত্তর দিয়ে যাবেন। আর আমাদের সাথে থাকবেন ওই দালাল মিডিয়াগুলো কে আনফলো করে।

VPN এর নিরাপত্তা বা অসুবিধা সমন্ধে জানতে হলে আগে আমাদের জানতে হবে VPN কি এবং কভাবে কাজ করে। তার আগে বলে রাখা ভালো, আমি এই পোস্টে বলছি না যে, VPN সম্পুর্ন নিরাপদ। তবে বাংলাদেশ সরকারের করা ২১কোটি টাকার চেয়ে নিরাপদ। বাংলাদেশে বসবাস করের চেয়ে VPN ব্যবহার করা অনেক বেশি নিরাপদ। লক্ষ করলে দেখতে পাবেন, যখন ফ্রি ফায়ার বন্ধ করা হলো, আর দেশের কোটি কোটি ছেলেরা VPN ব্যবহার শুরু করলো, তখন কোথায় ছিল এই দালাল মিডিয়াগুলা। তখন কেন বলেনি, যে আমাদের দেশের ছেলেগুলো VPN ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সরকারের উচিৎ গেমগুলো চালু করে দেওয়া।

কিন্তু না তখন কিন্তু এর কোন খবর ই ছিল না। কারন তখন যুবক ছেলেরা এই নিউজ পড়বে না। মিডিয়া গুলোর ইনকাম ও হবে না, তাই তারা কষ্ট করে নিউস তৈরি ও করে নি। আর এখন তো প্রাপ্ত বয়ষ্কদের থেকে ইনকাম করতে পারবে, তাই দেশের মানুষের জন্য VPN নিয়ে সচেতনতা মুলক পোস্ট শুরু করেছে। যদি এতোই ক্ষতি হয় দেশের মানুষের ,তাহলে VPN এর বিকল্প হিসেবে ফেসবুক-টিকটক চালু করে দিক না শরকার।

VPN কি

VPN হলো একটি ভার্চুয়াল নেটওয়ার্ক। যা দেশ থেকে বিদেশ টানেল হয়ে চলাচল করে। আমি চাইলে আপনাকে ও আমার নেটওয়ার্ক ব্য়াবহার করতে দিতে পারি। তার উপর বলতে গেলে, কোন একটা প্রাইভেট আইপি বা ইন্টারনেট পরিচয় ইন্টারনেটের গোপন পথে, অন্য কাউকে ব্যাবহার করতে দেওয়া ই VPN ।

ভিপিএন কি নিরাপদ

হ্যা নিরাপদ, তবে ততক্ষন- যতক্ষন আপনি কোন ভালো কম্পানি থেকে ব্য়বহার করেন। নিরাপদ বলতে তো অনেক কিছুই বোঝাায়। সহজে বলতে গেলে, আমাদের দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলো যতটা ভয় পাওয়াচ্ছে সাধারন জনগনকে আসলে ততটা ভয় নেই ভিপিএন এ।

VPN নিয়ে আমাদের দেশে এমন কিছু কথা আছে যে, এটা নাকি আমাদের পার্সওয়ার্ড, ইমেল, ইত্যাদি ইনফরমাশন নিয়ে যায়। তবে আজ ও এমন কোন অভিযোগে কোন VPN অ্যাপ বা কম্পানির উপর মামলা হয় নাই। যা সাধারনত ফেসবুক সহ অন্যান্য কম্পানির উপর হয়েছে। তার মানে ফেসবুক যতক্ষানি ডেটা নেয়, VPN তাও নেয় না। আর যদি নিত তাহলে গুগলের প্লে স্টোরে প্রতিটি VPN এর প্রাইভেসি পেজে ই এই বিষয়ে লিখে রাখতে হতো।

এবার প্রশ্ন হলো, আমাদের দেশের সাংবাদিক নামের সারসারিক রা কেন এমন তথ্য দিচ্ছে, কারন এই মুহুর্তে ফেসবুক বন্ধ রাখার মুল কারন ই হলো সাধারন মানুষ ফেসবুকে থেকে আন্দোলক করতে পারে। যা দেশের বাহিরে পর্যন্ত পৌছে যাচ্ছে। আর এটি এই সরকারের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে উঠতেছে। তাই যদি ফেসবুকে মানুষ না থকে , তাহলে ইউটিউব থেকে সবাই সবার কাছে যোগাযোগ করতে পারবে না । সহজে সব কিছু করা যাবে না। একটা ভিডিও বানাতে একটা পোস্ট লেখার থেকে ও বেশি সময় লাগে। তাই ফেসবুক থেকে দুরে রাখার জন্য ই এই VPN এর ব্যাপারে এতো এতো আয়োজন।

আমাদের করনিয়

নিজেদের জন্য নিজেদের ই কাজ করতে হয়। মনে রাখবেন, আপনার সকাল, দুপুর, রাতের খাবার আপনারকে ই খেতে হবে। কে কি বলবে, কে কি করবে তাতে কিছুই আসে যায় না। তাই নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিন।

দেশের দিন দিন যে অবগতির দিকে যাচ্ছে, এই অগতি বন্ধ করতে আপনাকে আপনার অবস্থান থেকে লড়াই করতে হবে। তা ছাড়া আর কোন উপায় নেই। যেমন প্রবাসিরা টাকা পাঠানো বন্ধ করেছে, এটাও তাদের লড়াই। আশা করি আপনিও সাথে থাকবনে।

কোন কোন VPN ভালো

আসলে ভাল বলতে গেলে অনেক আছে। টাকা দিয়েও তো VPN ব্যবহার করা যায়। তবে আমরা যেহেতু ফ্রিতে চালাই তাই ফ্রির দিকে ই কথা বলতে হয়। আমার দেখা অনেক VPN আছে, তবে আমি Power VPN ব্যবহার করি। এটা নেটওয়ার্ক অনেক স্লো, তবে প্রিমিয়াম পার্সেস করলে আবার ভালো স্পিড পাওয়া যায়। কিন্তু স্পিড ছাড়া বাকি সব কিছু ভালো তাই আমি এটা ব্যাবহার করি।

কেন vpn এড়িয়ে চলাই ভালো

vpn কে সরাসরি খারাপ বলাও যায় না। কারন কোন খারাপ বস্তুকে বৈধ ভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন প্লাটফর্মে রাখা হতো না। আর এর সাথে অনক বড় বড় কোম্পানি যুক্ত হয়ে চলতেও পারতো না। আসলে vpn কে সরাসরি খারাপ বলা প্রায় অসম্ভব, কারন এর অনেক অনেক ভালো দিক রয়েছে। তবে vpn কে যখন কেউ খারাপ কাজে ব্যবহার করে তখন ই আসলে vpn খারাপ হয়ে যায়। আর সেই সাথে vpn ক্ষতিকর হয়ে যায়।

কেননা কোন কোম্পানি চাইলে একটা vpn এর মাধ্য়মে অনেক বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে। তবে যতক্ষন না সেটিকে কেউ খারাপ বা অপ ব্যবহার করে ততক্ষণ পর্যন্ত সেটি নিজে থেকে খারাপ কাজ করার সমর্থন রাখে না। তাই আগে বুঝতে হবে আপনি কি ধরনের কাজ করতে চান, আর সেখানে কি কোন ভাবেই কারো ক্ষতি হচ্ছে কিনা, যদি কারো ক্ষতি হয়ে থাকে, তাহলে সেখানে আমাদের উচিৎ vpn বর্জন করা।

যখন আমরা ব্যবহার করার জন্য খারাপ কাজে vpn চালু করি, তখন ভালো কোম্পানিগুলো সেই খারাপ কাজ গুলো সরাসরি ওই vpn এর মধ্য দিয়ে হতে দেয় না। বিভিন্ন পর্যায়ের বাধা তৈরি করে থাকে। তখন মুলত আমাদের সেই খারাপ কাজের জন্য খারাপ vpn ব্যবহার করতে হয়ে থাকে, আর সেটি সময়ের সাথে সাথে ক্ষতির কারন হয়ে যায়। বা সেই vpn প্রাভাইডর কোম্পানি সেটির মাধ্যমে আমাদের ক্ষতি করতে থাকে।

তো আশা করি এই ভিপিএন কি নিরাপদ পোস্ট টা ভালো লাগবে । আমাদের সাথে থাকুন। আমাদের নিয়মিত ভিসিটর হয়ে যান। আমরাও আপনাদের ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো।