বাংলাদেশে এখনো অনেকের পছন্দের তালিকায় বাটন ফোন রয়েছে। বিশেষ করে যারা একটু স্মার্টফোন বা ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকতে চান অথবা বিভিন্ন কাজের জন্য একাধীক ফোন ব্যবহার করতে হয়, তাদের ক্ষেত্রে একটি বাটন ফোন ব্যবহারের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
সেই লক্ষ্যে যারা বাটন ফোন ব্যবহার করতে চান, তাদের জন্য সেরা একটি অপশন হচ্ছে পাতলা বাটন ফোন। আর আজ আমরা পাতলা বাটন ফোন নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করবো, কেন আপনি পাতলা বাটনফোন ব্যবহার করবেন, পাতলা বাটনফোন ব্যবহারের সুবিধা অসুবিধা কি কি হতে পারে।
কোন ধরনের বাটন মোবাইল সেরা
সাধারনত আমরা যারা দির্ঘ্যদিন ধরেই বাটন মোবাইল বিভিন্ন সময়ে ব্যবহার করে থাকি, তারা তো ভালো করেই বাটন ফোন বা বাটন মোবাইল সমন্ধে জানি। তবে যারা বেশিদিন বাটন মোবাইল ব্যবহার করেন না। আজ শুধুমাত্র আমরা তাদের জন্যই বাটন মোবাইল সমন্ধে কথা বলবো।
প্রাথমিক ভাবে হালকা এবং স্লিম টাইপের বাটন মোলাইল ভালো। যাকে আমরা এক কথায় পাতলা বাটন মোবাইল নামে চিনে থাকি। তবে এটি শুধু একদিকে নয় বরং সব দিকেই স্লিম হতে হবে, বিশেষ করে সফটওয়্যার গত এবং ওজন ও মোটার বিষয়েও লক্ষ্য রাখতে হবে।
কেন ব্যবহার করা হয় বাটন মোবাইল
সাধারন ভাবেই বাটন মোবাইল ব্যবহার করার অনেক কারন থাকতে পারে। তবে আমাদের পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বেশিরভাগ মানুষ তাদের কথা বলা অর্থাৎ দ্বিতিয় মোবাইল হিসেবে বা বেশি পরিমাণে সিম কার্ড ব্যবহারের জন্যই বাটন মোবাইল ব্যবহার করে থাকে।
এছাড়াও কেউ কেউ আবার ইন্টারনেট এর ক্ষতিকর প্রভাব থেক বা টাকা পয়সার অভাবের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার করতে পারে না এর জন্য বাটন মোবাইল ব্য়বহার করে।
কত টাকার মধ্যে বাটন মোবাইল কেনা যায়
বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন দামে বাটন মোবাইল অফার করে থাকে। তবে আমরা অনেক সময় ৫০০ টাকার থেকে ১০০০ টাকার মধ্যেই অনেক ভালো মানের বাটন ফোন দেখেছি। কিন্তু যদি আপনি বেশি পরিমাণে ব্যবহার করার জন্য আরো কিছুটা ভালো মানের বাটন মোবাইল খুজে থাকেন, তাহলে আপনি ১৫০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা পর্যন্ত দামের মোবাইলগুলো দেখতে পারেন।
বাটন মোবাইলে সহজে ব্যবহার করা, কল করে কথা বলা, অল্প টাকায় কেনা যায়, চার্জ বেশি থাকে, হারানোর ভয় থাকে না আরো বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে।
