আগষ্টের ৫ তারিখের সাথে প্রায় সকলেই পরিচিত আছেন। যানেন যে এই দিনে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে নতুন একটি বিজয়ের সাথে দেখা পায়। যদিও দিনটি ছিল ৫ আগষ্ট তবে আগষ্ট ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের যনক হিসেবে পরিচিত শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর সাথে সম্পর্কিত হওয়ায় এই ৫ আগষ্ট কে আগষ্টের মধ্যে গননা না করে বরং জুলাই মাসের সাথে সম্পর্কিত করে রাখা হয়েছে। তাই বলা হয় ৩৬ জুলাই।
তবে আসলে বাংলা এবং ইংরেজি মাস ৩১ দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে, কোন ভাবেই ৩৬ তারিখ গণনা করতে সক্ষম নয়। তবে আগষ্টের থেকে পৃথক করার জন্যই এই দিনকে ৩১ জুলাই এর পরে ৫ দিন কে যুক্ত করা হয়েছে আর ৩৬ জুলাই হিসেবে গণনা করা হচ্ছে।
তবে মুলত ৩৬ জুলাইয়ের অস্তিত্ব না পাওয়ায় সরকারি ভাবে এই স্বাধীনতাকে ৫ আগষ্ট হিসেবে ধরা হয় এবং ২৪ সালের এই আন্দলনকে সম্মান জানাতেই এই ৫ আগষ্টকে সরকারি ভাবে ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি এই ২৫ সালের থেকে সরকারি বার্ষিক ছুটির দিন হিসেবে ধারন করা হয়েছে। তাই এই ৫ আগষ্ট সরকারি ভাবে সকল প্রকারের অফিস ও অন্যান্য কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।
সরকারি ছুটির দিনের তালিকায় নতুন করে ৫ আগষ্ট যুক্ত করা হচ্ছে, যা ২০২৪ সাল থেকে প্রতিবছর ছুটি হিসেবে ঘোষিত হচ্ছে।
❓ ৫ আগস্ট কি বাংলাদেশে সরকারি ছুটি?
হ্যাঁ। বাংলাদেশ সরকার ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ‑অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে সাধারণ ছুটি হিসেবে নির্ধারণ করেছে।
❓ ৫ আগস্ট ছুটি ঘোষণা কবে দেওয়া হয়েছে?
২০২৫ সালের ২ জুলাই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে ৫ আগস্টকে ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
❓ ৫ আগস্ট কোন উপলক্ষে ছুটি?
এই দিনটি ‘জুলাই গণ‑অভ্যুত্থান দিবস’, যা ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলনের স্মরণে জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
❓ এই ছুটি কি জাতীয় দিবস হিসেবে গণ্য?
হ্যাঁ। এটি জাতীয় দিবস হিসেবে ‘কে’ (Ka) শ্রেণিভুক্ত, অর্থাৎ সর্বজনীন গুরুত্বসম্পন্ন দিবস।
❓ ৫ আগস্টে কোন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে?
এই দিনে সরকারি অফিস, আদালত, ব্যাংক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে, কারণ এটি সাধারণ ছুটি।
❓ এই ছুটি কি প্রতিবছর থাকবে?
হ্যাঁ। ৫ আগস্ট প্রতি বছর ‘জুলাই গণ‑অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ছুটি থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

