শেখ হাসিনাসহ পলাতক অবস্থায় থাকা অন্য আসামিরা হলেন—
মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, লে. জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ আকবর হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) সাইফুল আবেদিন, লে. জেনারেল (অব.) মো. সাইফুল আলম, লে. জেনারেল তাবরেজ শামস চৌধুরী, মেজর জেনারেল (অব.) হামিদুল হক, মেজর জেনারেল তৌহিদুল ইসলাম, মেজর জেনারেল কবির আহাম্মদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মখসুরুল হক।
আজ ট্রাইব্যুনালে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি
ট্রাইব্যুনাল–১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে স্টেট ডিফেন্স এবং উপস্থিত আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেবেন।
এর আগে, গত ৭ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের ওপর শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি জেআইসি সেলে সরকারবিরোধী ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে গুম ও নির্যাতনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেন। এছাড়া ২০১৫ সালের ২২ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত গুম হওয়া ২৬ জনের তথ্যও উপস্থাপন করেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর পাঁচটি নির্দিষ্ট অভিযোগ এনে ১৩ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন করেন। পরে স্টেট ডিফেন্স এবং গ্রেপ্তার থাকা তিন আসামির পক্ষ সময় চাওয়ায় আদালত আজকের দিন শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন।
আইনজীবী নিয়োগ ও পূর্ববর্তী প্রক্রিয়া
২৩ নভেম্বর পলাতক আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ দেয় ট্রাইব্যুনাল। শেখ হাসিনার পক্ষে প্রথমে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেডআই খান পান্না দায়িত্ব নিলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে ৩ ডিসেম্বর তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর মো. আমির হোসেনকে শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
২২ অক্টোবর তিন সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজত থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক আসামিদের হাজিরের জন্য সাত দিনের মধ্যে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়।
৮ অক্টোবর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিকভাবে এই মামলায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করে। পরে অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

