বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী রোকনের ওপর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের হামলা ও হত্যার হুমকির ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে শাহবাগে। এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, ১২ ঘণ্টার মধ্যে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচিতে নামবেন।
শিক্ষার্থীরা রাতেই প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার দিকে মিছিল নিয়ে যেতে চাইলে পরিবাগ মোড়ে পুলিশি ব্যারিকেডের মুখোমুখি হন। এরপর সেখানেই অবস্থান নেন তারা।
জানা যায়, রোববার (২৫ আগস্ট) দিনগত রাতে নেসকো অফিসে নির্বাহী প্রকৌশলী গোলাম হোসেন তার কক্ষে ডেকে নেন বুয়েট শিক্ষার্থী রোকনুজ্জামানকে। এ সময় সহকারী প্রকৌশলী মাজেদুল, সারোয়ার জামান সাইদি, উপসহকারী প্রকৌশলী লিয়াকত, সাদ্দাম ও গোলাম কিবরিয়া সোহান উপস্থিত ছিলেন। তারা মিলে রোকনকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
- অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
- প্রকৌশল খাত সংস্কারে তিন দফা দাবির ভিত্তিতে কমিশন গঠন করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের হুঁশিয়ারি— এসব দাবি ১২ ঘণ্টার মধ্যে না মানা হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে শিক্ষার্থীরা ঘোষণা দিয়েছিলেন, ন্যূনতম বিএসসি ডিগ্রি ছাড়া নবম গ্রেডের কোনো ইঞ্জিনিয়ার পদে নিয়োগ দেয়া যাবে না। সেই দাবি আদায়ে ২৪-২৬ আগস্ট পর্যন্ত সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচিও পালন করছেন তারা।
শনিবার (২৩ আগস্ট) রাত থেকেই বুয়েট ক্যাম্পাস থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শাহবাগে এসে শেষ হয়। সেখানে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন— “বিএসসি ইঞ্জিনিয়ার ছাড়া অন্য কাউকে ইঞ্জিনিয়ার পদে মেনে নেওয়া হবে না।

